বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আদিত্য
আদিত্য
সকল গল্প ও রচনায় ফিরে যান
হিজিবিজি

স্ট্রেট ড্রাইভের মতো তোমার জীবন ছিল

দেখা হলো না আর দুর্গোৎসব।

আদিত্য ঘোষ

আদিত্য ঘোষ

১৪ আগস্ট, ২০২৬৫ মিনিট পাঠ

স্ট্রেট ড্রাইভের মতো তোমার জীবন ছিল
|দার্জিলিং

স্ট্রেট ড্রাইভের মতো তোমার জীবন ছিল। একদম নিখুঁত। একদম সোজাসাপটা। নির্ভেজাল একটা জীবনে অভ্যস্ত, নিরলস সন্ধে কাটাতে সছন্দ। শুধুমাত্র ব্যাটের কোণায় লেগে বলটা স্লিপে ক্যাচ হয়ে গেল। তুমি চলে গেলে। ক্রিকেট প্রিয় মানুষের মতো মাথা নীচু করে মাঠ ছাড়লে। হয়ত দর্শকেরা বলছিল 'এ দিল মাগে মোর'। একটা ভুল শর্ট। সেঞ্চুরি ফসকালো। ঊনসত্তরে শেষ হয়ে গেল এই যাত্রা। বিরাট কিছু করে যাওনি, খুব বড় নাম নেই। খুব বড় কোনও যোগাযোগ ছিল না। রাজনীতির থেকে শতহস্ত দূরে। ঝুটঝামেলা থেকে কয়েক মাইল দূরে। তবুও সাধারণ থেকেও অসাধারণ হয়ে রইলে। বুঝতেও পারলাম না। জানতেও পারলাম না। নির্ঝড়ের স্বপ্নভঙ্গ হলো। থমকে গেল ছিটকে আসা আলো। তোমার রোদ ঝলমলে খাটটা ঝুপ করে অন্ধকার হয়ে গেল। আজকাল সকাল হলে একটা দমকা হাওয়া ভেসে আসে। ভেসে আসে উত্তরের উত্তরাধিকার। সাদা ফুলের টব থেকে ফুল ঝরে পড়ে। ঝরে পড়ে শুকনো পাতা। করিবর্গার দেওয়াল জুড়ে নেমে আসে স্মৃতি। নেমে আসে স্বপ্ন। শুধু তুমি নেই। হঠাৎ চারজন থেকে তিনজনে এসে ঠেকেছে। হঠাৎ সুখের ঘুমটা দুঃস্বপ্নের হয়ে গিয়েছে।

তোমার রোজনামচা একদম সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলত। তোমার রোজকার রোজনামচার খেয়াল রাখলে আর ঘড়ি দেখার প্রয়োজন হতো না। নিয়ম করে কাগজ পড়ার অভ্যেস ছিল তোমার। এককালে প্রতিদিন বাংলা এবং ইংরেজি কাগজ আসত বাড়িতে। ইংরেজির প্রতি তোমার প্রেম ছিল চূড়ান্ত। বিশেষত প্রশাসনিক কাজে ব্যবহৃত ইংরেজি শব্দচয়নে তুমি ছিলে শুকতারা। আজ আমার ইংরেজি ভাষার প্রতি যেটুকু ভালবাসা সেটার কারণ তুমিই। তোমার মতো এত নিয়মমাফিক মানুষ খুবই কম দেখেছি। ঠিক সকাল সাতটায় বিছানা ছাড়তে। তারপর আবর্জনায় গাড়ি হর্ণ বাজালে নিয়ম করে সেই আবর্জনা ফেলে এসে চা নিয়ে বসা। তখনও আমাদের কারুই চোখ খোলেনি। তখন তুমি দিব্যি দেশ বিদেশের খবর দেখছো। বিগত দশ বছর ধরে এটাই তোমার রোজনামচা ছিল। তারপর ধীরে ধীরে রোদ যত প্রখর হতো তুমিও বাজারের ব্যাগ হাতে দিব্যি সাইকেল চালিয়ে মিশে যেতে ভিড়ে। তুমি ভালবাসতে বাজার করতে। এটা একটা নেশা ছিল তোমার। অদ্ভুত একটা নেশা। সারাজীবন তোমাকে একটা সিগারেট টানতে দেখিনি। তবে কলেজে জীবনে শুনেছি চুটিয়ে সিগারেট খেয়েছো। দু'একবার মদ খেতে দেখেছি তবুও সেটা পারিবারিক ট্যুরে গেলে। তাও সেটা আজ থেকে বছর বারোর আগের ঘটনা বলছি। আবার কোনওদিন তোমাকে নিয়ম করে ব্যায়াম করতে দেখিনি। প্রতিদিন সন্ধে হলে সিঙ্গারা, চপে টিফিন সারতে দেখেছি। সকাল হলে কচুরি আর জিলিপি সহযোগে জলযোগ করতে দেখেছি। তবুও কোলেস্টেরল তোমাকে ছুঁতে পারেনি। ছুঁতে পারেনি সুগার। প্রায়ই মিষ্টি খেতে দেখেছি। দেখেছি জীবনকে উপভোগ করতে। ছিমছাম একটা সরকারী চাকরি করে গেলে ৩৯ বছর। মোটা মাইনে থেকে মোটা পেনশন। দিব্যি একটা ভাত ঘুম দেওয়া যায়। দিব্যি নাকে নস্যি দিয়ে ঘুমানো যায়। কিন্তু তুমি তো প্রচন্ড নিয়মানুবর্তী ছিলে। ষাটের পরেও তিরিশের মতো ছিলে। তোমার মতো উচ্চতা পাইনি। তবে লোকে বলে মুখের মিল হুবহু। তোমার মতো ইংরেজিতে দক্ষও হতে পারেনি। পারিনি স্টেনোগ্রাফার হতে। মাত্র একুশ বছর বয়সে প্রথম হয়ে সরকারী চাকরি পাওয়া। চারশো টাকা মাইনে দিয়ে জীবন শুরু। সেইদিন থেকেই যে বোঝা তুমি কাঁধে নিয়েছিল, এতদিনে সেই বোঝা তুমি নামিয়ে দিলে।

বাবা এবং মা, চা বাগান, ২০০৩,ডুয়ার্স
বাবা এবং মা, চা বাগান, ২০০৩,ডুয়ার্স

কী সুন্দর ভাবে নিঃশব্দে মায়া কাটিয়ে দিলে। একদম সুস্থ, স্বাভাবিক শরীরটা হঠাৎ যে নিথর হয়ে যাবে কে জানত। কে জানত ওটাই শেষ সান্ধ্যভ্রমন। কে জানত সেই বৃহস্পতিবার তোমার জীবনের শেষ দিন। কী আশ্চর্য, তিরিশ মিনিট আগেও জানতাম ওটাই তোমার সঙ্গে শেষ দেখা। এ জীবনের মতো সমস্ত যোগাযোগ ছিন্ন করা। বুঝতে পারছো, আর কোনওদিনই তোমার গলা শুনতে পাব না। কখনই তুমি আর ডাকবে না। কী আশ্চর্য। ভাবলেই একটা গভীরতম হাহাকার ছুটে আসছে। বুঝতে পারছো বাবা, আর কোনওদিন তোমার ছায়া আমাকে আশ্রয় দেবে না। কী বীভৎস ব্যথা, কী ভয়ংকর কষ্ট। লিখে বোঝাতে পারব না। তোমাকে আর জড়িয়ে ধরা হবে না। সেদিন তখন ঘড়িতে রাত সাড়ে এগারোটা। পুরোহিত বললেন তোমার সারা শরীরে ঘি মাখাতে। নিথর শরীরটা চুপটি করে শুয়ে আছে। দেখে মনে হচ্ছে এই ঘুম ভাঙবে। এই বুঝি দুপুরের ঘুম ভেঙে উঠে চা খেতে আসবে। তোমার নিথর শরীরে ঘি মাখাতে মাখাতে মনে পড়ছিল, তুমি বেশ তেল মাখতে ভালবাসতে। কেউ তোমাকে তেল মাখিয়ে দিলে খুব খুশি হতে। অত বড় শরীরটায় ঘি মাখিয়ে দিলাম তবুও সেদিন তুমি খুশি হলে না। তখন অল্পস্বল্প ঠান্ডা পড়েছে। সদ্য ভোরে কুশায়ার দেখা মিলছে, ঠিক এমন সময় তুমি নিরুদ্দেশ হলে। নিরুদ্দেশ হলে দিকশুন্যপুরের জন্য। একবারের জন্যও জানতে পারলে না আমি লিখি। লিখতে পারি। ওটাই আমার পেশাদারিত্বের পালক। তোমাকে কতকিছু ফিরিয়ে দেওয়া হলো না। তোমাকে শান্তিতে যেতেও দিতে পারলাম না। কতকিছু বাকি রয়ে গেল। কতকিছু তুমি দেখতে পেলে না।

বাবা এবং মামা, ২০০৬, উত্তর ভারত
বাবা এবং মামা, ২০০৬, উত্তর ভারত

ছোট থেকে তুমি নাকি খুব বেয়াদপ ছিলে। কিন্তু দাদু তোমাকে একদম বেঁধে রাখত। সবসময় কড়া শাসনে থাকতে থাকতে বড্ড সোজা হয়ে গিয়েছিলে। একদম স্ট্রেট ড্রাইভের মতো। একদম নিখুঁত। শর্টহ্যান্ড থেকে চোস্ত ইংরেজিতে কথা বলা। সরকারী অফিসের বড়বাবু হয়ে ওঠা তখনকার দিনে কম কথা নয়। তবুও ছাপোষা থেকে গেলে। গুলি ডান্ডা থেকে ওয়ার্ড ফাইল- গরিফা থেকে মোহনপুর। হাড়ু'দা থেকে 'পিএ ডিন পিজি পোস্ট স্টাডিজ' হয়ে ওঠার গল্পও নেহাতই ছাপোষা। তবুও তুমি অনন্য। তবুও তুমি মহান। তোমার জন্যই তো নিশ্চিন্তে ঘুমোতে পারতাম। তোমার জন্যই তো বেমালুম শান্তিতে কেটেছে এতকাল। বাজার করতে আজও শিখিনি। শিখিনি জীবন চালাতে।

আজও কোনও এক বৃহস্পতিবার। সকাল থেকে বৃষ্টি হচ্ছে। তোমার খাটের ধারের জানালা খোলা। রোদ আসেনি। তুমিও আর শরীর এলিয়ে দাওনি বিছানায়। সেদিনও এক বৃহস্পতিবার ছিল। সকাল থেকে দু'বার বাজারে গিয়েছিলে। তারপর ফোন নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি আর কাগজ পড়া। দিব্যি দিন কাটছিল। তার ঠিক একদিন আগে শান্তিনিকেতন থেকে ঘুরেও এলে। শরীর এবং মন দুই চনমনে। একদম তরতাজা। কিছু বুঝতেও দাওনি। কোনওদিনই দিতে না। দুপুর দেড়টা বাজলেই গরম জল বসিয়ে স্নান সেরে নিতে। একদম নিয়মমাফিক। তারপর দুপুর দুটোর মধ্যে পরিমাণ মতো খাওয়া সেরে ভাতঘুম। সেদিনও তাই করলে। দেখে বোঝার উপায় ছিল না ওটাই তোমার শেষ দুপুর। আর মাত্র কয়েক ঘন্টা। মাত্র কিছু সময়। কে জানত বাবা, তুমি মৃত্যুর এত কাছে। সেদিনও দুপুরে একটা সুন্দর ঘুম ভেঙে উঠলে। ঠিক সাড়ে চারেটের সময় চা খেতে গেলে। যেমন যাও। তারপর জামাকাপড় পরে সেই যে বেরিয়ে গেলে, আর ফিরলে না। কী সহজে মায়া কাটিয়ে চলে গেলে। গঙ্গার পাড়ে প্রতিদিনের মতো সেদিনও হাঁটতে গিয়েছিলে। কিন্তু গঙ্গার পাড়ে সেদিন তোমার খেয়া বাঁধা পড়েছিল। ছাই ঘাটের নিকটবর্তী একটা মন্দির আছে। যে মন্দিরে তোমার যাতায়াত ছিল অবাধ। সেই মন্দিরের তোমার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ হলো। তখন গোধূলি বেলা। মায়ের আরতি হচ্ছে। সে এক আশ্চর্য মাহেন্দ্রক্ষণ। তুমি ঠিক মায়ের মূর্তির সামনে বসে চুপটি করে চলে গেলে। ডাক্তার বলল ম্যাসিভ কর্ডিয়াক এট্যাক। করোনারি আর্টারি ডিজিস। আমি যখন পৌঁছালাম, তখন তোমার মুখ দিয়ে গাঁজলা উঠছে। চোখগুলো ঠুকরে বেরোনো। চোখের কোণা দিয়ে জল বয়ে চলেছে। শরীর ঠান্ডা হয়ে পড়েছে। দেহে স্পন্দন নেই। তুমি আর ইহলোকে নেই। বাবা, কত সহজে চলে গেলে। লোকে বলছে কত পুণ্য করলে এইরকম যাওয়া হয়। একদম রাজার মতো। কিন্তু কতকিছু তো তুমি দেখতে পেলে না। আরও বড় পরিবার, নাতি-নাতনিদের আদর কিংবা আরও কতকিছু বাকি ছিল।

কতকিছু তোমাকে বলা বাকি ছিল। কত হাসিমুখ এখনও দেখা বাকি ছিল। কত রবিবাসরীয় দুপুরে খাসির মাংস খাওয়া বাকি ছিল। এইভাবে চলে গেলে, কাউকে কিছু না বলে! তুমি চলে যাওয়ার পর কতকেউ এলো। তোমার ছেড়ে যাওয়া চেয়ারটাই আমাকে বসিয়ে দিল অনায়াসে। কেউ একবারও দিদির কথা বলল না। এতদিনে বুঝলাম একজন ছেলের আসল গরজ কোথায়! তোমার চেয়ারটাই আমি এখন খেতে বসি। তোমার ফেলে যাওয়া কাজগুলো একটু একটু করে সামলে নিচ্ছি। কিন্তু পারছি কই? তুমি ছাড়া দিব্যি সকাল হচ্ছে। দিব্যি রোদ হাসছে। শুধু তুমি চির ঘুমে। কোনওদিন আর শ্বাসকষ্ট হলে তুমি দৌড়ে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবে না। তুমি আর জানতেই পারবে না আমি কেমন আছি। তোমার জন্য তো কিছুই করতে পারিনি। এই লেখাটা শুধু তোমার জন্য। তোমার জন্য শ্রদ্ধার্ঘ্য। জীবনে কতকিছুর জন্য লিখেছি। কত বাজে সময় নষ্ট করেছি। কিন্তু তোমার জন্য লিখিনি। আর যখন লিখছি তখন আর তুমি নেই। গভীর থেকে গভীরতম হচ্ছে খাদ। দিন যাচ্ছে শুধু তুমি নেই। তোমার গন্ধ নেই।

তাজমহল, ২০০৬, দিদি, আমি এবং বাবা
তাজমহল, ২০০৬, দিদি, আমি এবং বাবা

জন্ম থেকে তোমার এক চোখ অন্ধ। আর এক চোখ দিয়ে গোটা উনচল্লিশ বছর চাকরি করে গেলে। চাকরি পরেও স্পেশাল পারমিশন দিয়ে তোমার চাকরির মেয়াদ বাড়ানো হল কিন্তু হঠাৎ ডান চোখে সমস্যা দেখা দিল। রেটিনায় ফুঁটো ধরা পড়ল। সেই একবারই জীবনে হাসপাতালে রাত কাটালে। সেই থেকে ডান চোখটা তোমার সঙ্গ ছাড়ল। কিছু অসুবিধা নিয়েও দিব্যি বাকি দিনগুলো কাটিয়ে দিলে তবুও একবারের জন্যও কিছুর জন্য অভিযোগ করোনি। আসলে তুমি জীবনকে উপভোগ করার লোক। অভিযোগ করার নয়। সাদা কাপড় পরে বারোদিন কাটানোর পরেও একবারের জন্য মনে হয়নি তুমি নেই। তুমি এই বাড়িতেই মিশে আছো। মন্ত্র উচ্চারণ করতে করতে বারেবারে 'প্রেত' সম্পর্কিত মন্ত্র উচ্চারণ করছিলাম কিন্তু একবারের জন্যও ভয় পাইনি। শুধু তোমার না থাকাটা মেনে নিতে পারছি না।

শান্তিনিকতন, ২০০৯, বাবা আমি মা এবং দিদি
শান্তিনিকতন, ২০০৯, বাবা আমি মা এবং দিদি

এই শীত তোমার আর দেখা হলো না। দেখা হলো না আর দুর্গোৎসব। তোমার শেষ মুখটা কোনওদিন ভুলতে পারব না। ওই ঠুকরে বেরিয়ে আসা চোখদুটোই কষ্ট ছিল, কিন্তু আমি কাঁদিনি। হঠাৎ করে বড় হয়ে গিয়েছিলাম। হঠাৎ করে আমি বৃহৎ হয়ে গিয়েছিলাম। ঝরে পড়া পালকের মতো তুমি মিলিয়ে গেলে। এত তাড়াতাড়ি চলে যাবে ভাবতে পারিনি। চলে গিয়ে অনেক কিছু বুঝিয়ে দিয়ে গেলে। কত না বলা কথা লেখা হলো না। ছুঁয়ে দেখা হলো শেষ সোহাগ। তোমাকে নিয়ে উঠে দাঁড়াল শ্মশানবন্ধুরা। বাঁশের খাটিয়ায় তোমাকে নিয়ে চলে গেল ওরা, চুল্লির ভিতরে আমাকে যেতে দিল না। কিন্তু যখন চুল্লিটা জ্বলে উঠল তখন গলার ভিতরটা শুকিয়ে উঠল। তখন মধ্যরাত। অল্পস্বল্প ঠান্ডা পড়েছে। সেই জামাটা পরে আছি যে জামাটা পরে আজ থেকে বহুবছর আগে প্রথম শান্তিনিকেতন গিয়েছিলাম। সেই শান্তিনিকেতন থেকে ফিরলে। শেষবারের মতো। আমার প্রিয় শান্তিনিকেতন তোমাকে শান্তির দেশে নিয়ে গেলো। সেই জামাটা ছেড়ে এলাম ঘাটে। এই বছরের শুরুতে একটা সাদা জামা উপহার পেয়েছিলাম, একটা মিথ্যে প্রেমের কুর্ণিশ ছিল সেই সাদা জামা। সেটাও ঘাট কামানেও দিন বিসর্জন দিয়ে এসেছি। বাবা, তোমাকে সেলাম। হয়ত তুমি এইভাবে না গেলে আমি চিরকাল সাবালক থেকে যেতাম। যেখানেই থেকো, বিন্দাস থেকো। চিরকাল তোমার অবয়ব আমি বয়ে নিয়ে যাব। এই কথা দিলাম।

ট্যাগসূচী:#Father#Death#Life
লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন:
আদিত্য ঘোষ

আদিত্য ঘোষ

লিখতে চাওয়ার অঙ্গীকার

পাঠকের মন্তব্য (0)

মন্তব্য করার জন্য আপনার সোশাল অ্যাকাউন্ট বা অতিথি মাধ্যম বেছে নিন:

Anay Biswas
Architected & Engineered byAnay BiswasFull-Stack Dev